WhatsappOthers 

হোয়াটসঅ্যাপের ‘টার্মস অফ সার্ভিস’ নিয়ে মতান্তর

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : হোয়াটসঅ্যাপ ছেড়ে দিতে চান দেশের ৮০ শতাংশ গ্রাহক। ভারতে ডাউনলোডে শীর্ষে টেলিগ্রাম ও তিনে সিগন্যাল। সূত্রের খবর, হোয়াটসঅ্যাপের ‘টার্মস অফ সার্ভিস’ নিয়ে দেশজোড়া বিতর্ক অব্যাহত। উল্লেখ করা যায়, এমন টালবাহানার মধ্যেই দেশের প্রধান ৮টি শহর- কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, আমদাবাদ ও পুণের ৭৯ শতাংশ গ্রাহক আগামী মে মাসের পর হোয়াটসঅ্যাপের নতুন নীতি কার্যকর হলে হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মে আদৌ থাকবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে আরও জানা যায়, এক্ষেত্রে ২৮ শতাংশ সিদ্ধান্তই নিয়ে ফেলেছেন, তাঁরা হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মে না থেকে টেলিগ্রাম বা সিগন্যালের মতো বিকল্প কোনও সোশ্যাল মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবেন। সাইবার মিডিয়া রিসার্চের সমীক্ষায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে জানুয়ারি মাসে ৬.৩ কোটি ডাউনলোড নিয়ে বিশ্বে নন-গেমিং অ্যাপের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে টেলিগ্রাম।

সূত্রের খবর, দেশভিত্তিক ডাউনলোডের শীর্ষে রয়েছে ভারত, সর্বাধিক ২৪ শতাংশ ডাউনলোড নিয়ে টিকটাককে ২ নম্বরে রেখে ৩ নম্বরে পৌঁছে গিয়েছে সিগন্যাল, ৯০ লক্ষ ইনস্টল নিয়ে। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, দেশে প্রতি মাসে ৪৫ কোটি অ্যাক্টিভ ইউজার থাকা হোয়াটসঅ্যাপ নেমে গিয়েছে ৫ নম্বরে। এক্ষেত্রে বিতর্কের মূল বিষয় হল- গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ভিটেলস-এর গোপনীয়তা আগামী দিনে বজায় থাকবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন।

অন্যথায় ফেসবুকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে রাজি না হলে অ্যাকাউন্ট বন্ধই করে ফেলতে হবে, এমনও প্রশ্ন উঠছে। দেশজোড়া প্রতিবাদ তৈরি হয়। চাপের মুখে কিছুটা সরে এসে আপাতত নতুন ‘টার্মস অফ সার্ভিস’ চালু মে মাস পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, নতুন নীতিতে সাধারণ গ্রাহকদের কোনওরকম তথ্য ফেসবুকের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়নি।

অন্যদিকে সাইবার মিডিয়া রিসার্চের হেড বা ইন্ডাস্ট্রি ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ-এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দেশের মানুষ এসএমএস করা একপ্রকার বন্ধ করেছেন হোয়াটসঅ্যাপের জনপ্রিয়তায়। আবার ৭৬ শতাংশ ভারতীয় ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপের নীতি বদল সম্পর্কে অবহিত। এক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের নোটিস পাওয়ার পর ৪৯ শতাংশ গ্রাহকের মনে ক্ষোভ তৈরি হয়। ৪৫ শতাংশ ব্যথিত। তাঁরা মনে করছেন তাঁদের প্রতারিত করা হয়েছে। ৩৫ শতাংশ বিশ্বাসভঙ্গের দাবিও করেছেন। অন্যদিকে ১০ শতাংশ ব্যবহারকারীরা নতুন নিয়ম চালু নিয়ে কোনও বক্তব্য রাখেননি।

Related posts

Leave a Comment